সারা বাংলাদেশে ১৯টি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা

সারা বাংলাদেশে মোট ১৯টি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) চূড়ান্তভাবে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় তিনটি গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

সারাদেশে সাতটি কৃষি বিষয়ক বিশ্ববিদ্যালয় গত বছরে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়েছিল। এবার সারাদেশে মোট ১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে।

এবারের গুচ্ছ পদ্ধতির অধীনে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান এই তিনটি বিষয়বস্তুর ওপর পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করেই এই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে বলে জানা গেছে।

সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উপাচার্যদের সমন্বয়ে গঠিত এক কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি এই গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি ও নিয়ম কানুন নির্ধারণ করবে। এই কমিটি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি স্কোর দেবে। এ গুচ্ছের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ শর্ত ও চাহিদা উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ভর্তি বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। স্কোর নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। আর এর জন্য আলাদা করে কোনো ধরনের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, করোনা মহামারীর কারণে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছু হটার কোন সুযোগ নেই।

শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের কথা চিন্তা করে সরাসরি ও সহজ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য তিনি উপাচার্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, কৃষিবিষয়ক সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছরে স্নাতক শ্রেণিতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

সূত্র : পার্সটুডে।

Related Articles

Stay Connected

15FansLike
5,021FollowersFollow
3,201FollowersFollow
- Advertisement -

Latest Articles